ব্রাউজিং করে যে ওয়েবসাইট গুলোতে প্রবেশ করা হয় সবই মূলত সফটয়্যার। আর এই ওয়েবসাইট গুলো কোন না কোন সফটয়্যারের সাহায্যে ক্রিয়েট করা হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেসও এমনই একটি সফটয়্যার। এই সফটয়্যারের ব্যবহারে যে কোন ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ইন্টারনেটের বেশীরভাগ ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে। সারা বিশ্বেজুড়ে ওয়ার্ডপ্রেসের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। ওয়ার্ডপ্রেস সফটয়্যারটি প্রথম রিলিজ হয় ২৭ মে ২০০৩ সালে। রিলিজ হওয়ার পর থেকে এই সফটয়্যারটির ব্যবহার চতুর্দিকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। খুব সহজেই জয় করে নেয় ওয়েবসাইট প্রেমী মানুষের হৃদয়।
একটা কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরি করতে ডেভেলপার খরচ ও সাইট কাস্টমাইজ মিলিয়ে অনেক অর্থ এবং সময় ব্যয় হয়। ওয়ার্ডপ্রেস সফটয়্যার রিলিজ হওয়ার পর থেকে কাস্টম ওয়েবসাইটের চাহিদা একিবারেই বিলুপ্ত প্রায়। বলতে গেলে কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরির চাহিদা সর্বোচ্চ ১৫% রয়েছে। আর বাকি ওয়েবসাইটগুলো বিভিন্ন সফটয়্যার ব্যবহারে তৈরি করা হয়। কারণ এতে খরচ কম, সময়ও বাঁচে। তাই বর্তমান ওয়েবসাইট প্রেমীরা এই সফটয়্যার গুলোর দিকে ঝুকে পড়ছে।
ওয়ার্ডপ্রেস সফটয়্যার ব্যবহারে ওয়েবসাইট তৈরিতে বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে। কাস্টম সাইটের মতো এখানে কোন ঝামেলা নেই। বাড়তি খরচও নেই। ডোমেইন হোস্টিল ক্রয় করে ওয়ার্ডপ্রেসের টেমেপ্লেটে সেগুলোকে সেটআপ করলেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যায়। এটা খুব সহজ ব্যপার। অনলাইন ক্যারিয়ারগুলোর মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপয়েন্ট একটি বিশেষ ক্যারিয়ার ব্যবস্থা। চাইলে যে কেউ শিখতে পারে। ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্যবহার করে বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ফিল্যান্সার সাধারণ মানুষের কাছে তাদের সার্ভিস প্রোভাইট করছে। এতে করে উভয়পক্ষই উপকৃত হচ্ছে।
যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি কোম্পানি, নিউজ পত্রিকা, ই-কোমার্স স্টোর, বিজনেস ওয়েবসাইট, পার্সোনাল ব্লগ ইত্যাদি সকল ধরণের ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস সফটয়্যারের ব্যবহারে খুব সহজেই তৈরি করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য এডভান্স লেভেলের কোন কিছু জানার প্রয়োজন হয় না। যাদের ওয়েবসাইটের বেসিক নলেজ আছে তারা অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি ওয়েবসাইটগুলোকে মেন্টেন করতে পারবে।
Comments
Post a Comment